শনিবার , ১৯ আগস্ট ২০২৩ | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আর্জেন্টিনা
  5. ইউক্রেন
  6. ইরান
  7. খেলাধুলা
  8. চীন
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দুর্ঘটনা
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. প্রবাস

একজন নারী জনপ্রতিনিধি ও তার স্বপ্ন

প্রতিবেদক
admin
আগস্ট ১৯, ২০২৩ ৫:২৭ পূর্বাহ্ণ

শহিদুল রহমান (বেলাল ভূইয়া), উখিয়া প্রতিনিধি

জনপ্রতিনিধি হওয়া একটা স্বপ্ন। কিন্তু স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যাবেন তিনিই হবেন সফল। আজ এমনই একজন সমাজ সেবিকার কথা জানাচ্ছি- যিনি অনেক বাধা ও প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে একজন সফল।

তিনি হলেন, উখিয়া উপজেলা আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং রাজাপালং ইউনিয়নের সফল মহিলা (মেম্বার) খুরশিদা বেগম। তিনি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। তারপরও মানুষের প্রত্যাশা থাকে। তিনি তার পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার সমন্বয়ে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের জন্য, সর্বোপরি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এবং উখিয়া উপজেলার প্রতিটি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের জয়লাভের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

খুরশিদা বেগম কাজে সফলও হয়েছেন। সকলের সহযোগিতাও পাচ্ছেন এবং সহযোগিতার আশাও ব্যক্ত করে চলেছেন। এই মহিলা মেম্বার ও রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে সফলতা পাওয়ায় তিনি উখিয়া উপজেলা তথা রাজাপালং ইউনিয়নের জনগনের সর্বত্র সম্মানিত হচ্ছেন। তারুণ্যের প্রতীক এ নারী তার বয়স ও অভিজ্ঞতা দুটিকেই হার মানিয়েছেন। তার কর্মকাণ্ডে মনে হয় তিনি নবীন নন। তিনি অনেক প্রবীণ। তার অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেক। এ সকল সফল মানুষের পেছনে আছে কিছু গল্প, তা অনেকটা রূপকথার মতো। আর সেসব গল্প থেকে মানুষ খুঁজে নেয় স্বপ্ন দেখার সম্বল, এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন প্রেরণা। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই উল্লেখযোগ্য উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর নিরন্তর প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ অবদান, সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে এলাকায় নিজের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তার সাথে দলের ভাবমূর্তির উন্নয়ন হয়েছে। অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠণের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক সমাজসেবী এই মহিলা মেম্বার খুরশিদা বেগম।

ব্যক্তি জীবনে তিনি অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, সদাহাস্যোজ্জ্বল ও সাদা মনের মানুষ। তার মাঝে কোনো অহংকার নেই। নিরহংকারী এই মেম্বার দলমত নির্বিশেষে আজ সকলের কাছে প্রিয়। কাজ করছেন নৌকার জন্য। সর্বোপরি কাজ করছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য। বয়সে তরুণীর মত হলেও তিনি মনোবল হারাননি। এই সফল মেম্বার দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে প্রতিটি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যান। এলাকায় তিনি একজন সাদা মনের উদার মানসিকতার ও দানশীল নারী হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছেন।

এলাকার সাধারণ মানুষের মতে, আমরা নেতা নেত্রী বা মেম্বার বুঝি না। খুরশিদা আপা একজন ভালো মানুষ। তিনি একজন সাহসি মহিলা। তিনি মেম্বার পদে থাকলে আমাদের তথা এলাকার উপকার হবে। আমাদের দুঃখ-দুর্দশায় তাকে সহজেই পাশে পাওয়া যায়। ইতোমধ্যে তিনি সমাজের সকল মতাদর্শের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও মেধাবী সমাজ সেবিকা ও উদীয়মানি নেত্রী হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।

নির্বাচনকালীন সময়ে সাধারণ জনগনকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে একজন সফল ও জনপ্রিয় নারী মেম্বার হিসেবে সবশ্রেণির মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন রাজাপালং ইউনিয়নের ৪,৫,ও ৬নং ওয়ার্ড়ের জনপ্রিয় মেম্বার খুরশিদা আপা। তিনি রাজাপালং ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তার প্রিয় ওয়ার্ড় বাসী কে উন্নয়নের আওতায় এনে ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। দৃশ্যপট পরিবর্তন করেছেন। এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি সব সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

সর্বোপরি গরীব মেহনতী মানুষের প্রকৃত জনদরদীনি মেম্বার আপা হিসেবে তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিত ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বেলাল ভূইয়া জানান, রাজাপালং ইউনিয়নের তিন ওয়ার্ডের মেম্বার হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এলাকার উন্নয়নে সৃজনশীল পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। গৃহিত পরিকল্পনার আলোকে তিনি একের পর এক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন সম্পন্ন করেছেন।

এলাকা পরিদর্শনকালে ঐ লাকার স্হানীয় ওয়ার্ডবাসী বলেন, রাজাপালং ইউনিয়নের বর্তমান জনপ্রিয় এই মহিলা (মেম্বার) সাধারণ পরিবার থেকে বেড়ে ওটা একজন নারী। যার কারণে খুব সহজে তিনি মানুষের মনের কথা বুঝতে পারতেন। যার ফলে এলাকাবাসী তাকে বিপুল ভোটে মেম্বার নির্বাচিত করেছেন। নির্বাচিত হয়ে খুরশিদা মেম্বার এলাকার উন্নয়ন করে যাচ্ছেন।

সামাজিক সচেতনতা এবং মানবিক সেবার অনন্য উদ্যোগ তাকে একজন মানবদরদীনি ও মহতীনি মানুষের উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে। তিনি এলাকার দরিদ্র জনগোষ্টির উন্নয়নে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তিনি এ পর্যন্ত ইউনিয়নের বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়নসহ স্কুল, মাদ্রাসা, কবরস্থান, মসজিদ, মাদ্রাসা সংস্কার করে গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা সঠিকভাবে বিতরণ করেছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করে গ্রাম্য সালিসের মাধ্যমে ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে যাচ্ছেন।

এছাড়াও তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়মিত অফিস করেছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজ অতি দক্ষতার সাথে সফলভাবে করেছেন যা এখনো চলমান আছে। আগামী দিনেও রাজাপালং ইউনিয়নের তিন ওয়ার্ডের মহিলা (মেম্বার) খুরশিদা বেগম সততা ও কর্মদক্ষতার সাথে ইউনিয়নে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে তার এলাকা কে আধুনিক মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন এমনটাই প্রত্যাশা এলাকা বাসীর সহ সকলের।

খুরশদা মেম্বার বলেন, আমি আজিবন সাধারণ মানুষের সাথে মাটির মানুষ হয়ে বেঁচে থাকতে চাই। তাদের দুঃখ আমার দুঃখ, তাদের সুখ আমার সুখ। ওয়ার্ডবাসী আমাকে বেশি ভালবাসেন এটার বড় প্রমাণ গত নির্বাচনে আমাকে তারা বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করেছেন। আমি আজীবন আমার ওয়ার্ডবাসীর প্রতি চিরঋণী হয়ে থাকব। আমি সারা জীবন তাদের জনপ্রতিনিধি হয়ে নয় তাদের সেবিকা হয়ে থাকতে চাই।

সর্বশেষ - Uncategorized