বৃহস্পতিবার , ২৫ জানুয়ারি ২০২৪ | ১০ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আর্জেন্টিনা
  5. ইউক্রেন
  6. ইরান
  7. খেলাধুলা
  8. চীন
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দুর্ঘটনা
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. প্রবাস

পিক ভিটামিন ব্যবহারে নষ্ট আলুর খেত,দুশ্চিন্তায় চাষীরা

প্রতিবেদক
admin
জানুয়ারি ২৫, ২০২৪ ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ

মোঃ হাবিব ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা প্রতিনিধি:-

লাভের আশায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আলুর আবাদ শুরু করেছিলেন নজমুল ইসলাম ।স্বপ্ন ছিল লাভের টাকায় ঋণ পরিশোধ করে সংসারে ফিরিয়ে আনবেন সফলতা৷ শুরুর দিকে আলু গাছের উর্বরতা দেখে খুশি ছিলেন তিনি৷ চলতি মাসের আট তারিখ খেতের পুষ্টি বাড়াতে “পিক’ নামে একটি মাইক্রো পুষ্টি কীটনাশক ব্যবহার করেন তিনি। পরের দিন থেকে আলু খেতে পচন ও নষ্ট হওয়া শুরু হয়। তারপর থেকে দুশ্চিন্তায় সময় পার করছেন তিনি৷
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মালিগাঁও গ্রামের বাসিন্দা নজমুল ইসলাম। আলু খেতের শেষ সম্বল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পরেছেন তিনি৷
শুধু নাজমুল নন তার মতন একই গ্রামের আরো ১০ জন কৃষক এসএএম (SAM) এগ্রো কেমিক্যালের মাইক্রো ভিটামিন “পিক” কীটনাশক ব্যবহার করে আলু খেত নষ্টের অভিযোগ উঠেছে৷ সেই গ্রামের ১০ জন কৃষকের ৭ একর জমির আলুর খেতে পচন ধরেছে৷
সোমবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,আলুর গাছ গুলো মরে যাওয়া শুরু করেছে।আর আলুর শিকড়ে পচন ধরে সেগুলো নষ্ট হয়ে গিয়েছি। ক্ষেত এমন দূরাবস্থা দেখে দিকবিদিকশুন্য হয়ে পড়েছেন আলু চাষীরা৷
আলু চাষী নজমুল ইসলাম বলেন,শুরুতে আমার আলু গাছ গুলো বেশ ভালো ছিল৷ পিক ব্যবহার করার পরের দিন থেকে গাছ গুলো মরে যাওয়া শুরু করে৷ নিচের শেকড়ে পচন হয়ে সব শেষ হয়ে গিয়েছে৷ আমরা এর ক্ষতিপূরণ চাই। সেটা না হলে কিভাবে ঋণ পরিশোধ করব৷
আরেক চাষী বাচ্চু বলেন, আমাদের প্রতি বিঘা জমিতে যা খরচ হয়েছে সেটি আমাদের দেওয়া হোক। তাদের কীটনাশক ব্যবহার করে আমাদের সব শেষ হয়ে গেল৷
কীটনাশক বিক্রেতা আলম হোসেন বলেন,এই কোম্পানির কীটনাশক অনেক দিন থেকে বিক্রি করে আসছি৷ এর কাজও অনেক ভালো। এবারে যারা পিক কীটনাশক দিয়েছেন সবার আলু খেত নষ্ট হয়ে গেছে৷ আমি তাদের অবগত করেছি তারা দেখবে বলে আশ্বস্ত করেছেন৷
এসএএম এগ্রো ক্যামিকেল এর এরিয়া ম্যানেজার নুরুজ্জামান বলেন, তারা বলছেন পিক ব্যবহার করার কারনে এমন হয়েছে৷ আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখে আমারও এটি মনে হয়েছে। সকলে পিক ব্যবহার করার কারনে নষ্ট হয়েছে। আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তারা ব্যবস্থা নেবেন বলেন জানিয়েছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, এমন খবর শোনার পর আমরা সেই খেত গুলোতে গিয়েছিলাম। সে খেত গুলোতে আর আলু হওয়ার সম্ভবন নেই। ইতিমধ্যে আমরা কীটনাশক টি পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছি৷ এটি যাতে আর বিক্রি না হয় এবং কৃষকদের ক্ষতিপূরণে আমরা সমন্বয় করছি৷

সর্বশেষ - Uncategorized