শনিবার , ১৬ মার্চ ২০২৪ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আর্জেন্টিনা
  5. ইউক্রেন
  6. ইরান
  7. খেলাধুলা
  8. চীন
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দুর্ঘটনা
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. প্রবাস

কক্সবাজারে রকেটের গতিতে বাড়তে কলার দাম

প্রতিবেদক
admin
মার্চ ১৬, ২০২৪ ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ

ইরফান উল্লাহ খান :

ভাই, একটা নিলে ১৫ টাকা, ১০ টাকার নিচে কোনো কলা নাই, হাসতে হাসতে কথাগুলো বলছিলেন বদর মোকামস্থ কস্তুরাঘাটের কলা বিক্রেতা সলিম উল্লাহ।

মাত্র ১০-১৫ দিন আগেও একটি কলার দাম যেখানে ১০ টাকা ছিল, সেখানে এখন এত দাম বেড়েছে কেন জিজ্ঞেস করতে তিনি বলেন, “সব জিনিসের দাম বেশি এখন। এসব কলা বেশি দামে কিনতে হয়েছে। তাই এই দামের নিচে বিক্রি করলে আমাদের পোষাচ্ছে না। তবে দাম বেশি হওয়ায় কমেছে বিক্রি।

শুক্রবার ( ১৫ মার্চ ) সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইফতারি ও সেহরির অন্যতম অনুষঙ্গ কলার দাম যেন আকাশ ছুঁয়েছে কক্সবাজারের বাজারগুলোতে। রোজা শুরুর আগে বড় আকারের কলা (কাঁঠালি/সাগর) বিক্রি হয়েছে প্রতি হালি ২০-৩০ টাকা। অথচ রোজার ৪র্থ দিনে এক লাফে বাজারে কলার দাম হালিপ্রতি বিক্রি হয়েছে ৫০-৮০ টাকায়।

প্রতিটি কলার দাম এক পিস ১৫-২০ টাকা। কোথাও কোথাও ২০ টাকা পিস। আর মাঝারি ও ছোট আকারের কলা বিক্রি হচ্ছে ১০-১৫ টাকা পিস হিসেবে। আকাশছোঁয়া দামের কলার দিকে তাকাতে পারছেন না নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা।

শহীদ সরণিস্থ কক্সবাজার জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে কলা কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে কলার দাম শুনে গেছি প্রতি হালি ৪০ টাকা। নামাজ শেষ করে কলা কিনে বাড়ি যাব ভেবে নামাজের পর এসে দাম শুনি প্রতি হালি ৫০ টাকা। নামাজের ব্যবধানেই প্রতি হালিতে ১০ টাকা বেড়ে গেল, এটা কিভাবে মেনে নেওয়া যায়?

সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজানে রকেটের গতিতে বাড়ছে কলার দাম! প্রতি পিছ কলার দাম বেড়েছে ৩-৭ টাকা করে। আর কলার সাইজ দেখে হালি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা দরে।

পবিত্র রমজান মাসকে ঘিরে দাম বৃদ্ধির এমন অস্থিরতায় ইফতারির তালিকায় কলা রাখার ইচ্ছে মিটে গেছে অনেক ক্রেতার। রমজান মাসে কলার চাহিদা বাড়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ইচ্ছেমতো। কলা বুঝে হালিতে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা দরে। ফলে এই কলা কিনতে গিয়েই অনেকেই হিমশিম খাচ্ছেন।

বড় বাজারের খুচরা বিক্রেতা আমিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে খুচরা বাজারে কলা বিক্রি করেন। আড়ত থেকে কেনা কলা সামান্য লাভে খুচরা বিক্রি করেন তিনি।

একাধিক কলা ব্যবসায়ীরা বলছেন, কিনতে হয় বেশি দামে, তাই বিক্রি করার সময় হাতে কিছু টাকা রেখে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে মাছ, মাংসসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন অভিযান চালালেও কলার আড়তে অভিযান তেমন চোখে পড়েনি। তবে রোজায় বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে বলে সূত্রে জানা যায়।

সর্বশেষ - Uncategorized