বৃহস্পতিবার , ২০ জুন ২০২৪ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আর্জেন্টিনা
  5. ইউক্রেন
  6. ইরান
  7. খেলাধুলা
  8. চীন
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দুর্ঘটনা
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. প্রবাস

কক্সবাজারে খুরুশকুলে রাত দিন চলে পাহাড় কাঁটার প্রতিযোগিতা : নিরব ভূমিকায় সংশ্লিষ্ট বিট অফিস।

প্রতিবেদক
admin
জুন ২০, ২০২৪ ৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ

কক্সবাজারে খুরুশকুলে রাত দিন চলে পাহাড় কাঁটার প্রতিযোগিতা : নিরব ভূমিকায় সংশ্লিষ্ট বিট অফিস।

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজার খুরুশকুল এলাকায় পাহাড় কাঁটার প্রতিযোগিতা চলতেছে। চোখে কালো টাকার চশমা পড়ে আছে সংশ্লিষ্ট বিট অফিস।
এলাকা পরিদর্শনে দেখা মিলে আগের বিশাল আকারে দাড়িয়ে থাকা পাহাড় গুলো এখন বিলিন হয়ে গেছে। এলাকার বেশ কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানা যায়, খুরুশকুলের বিট কর্মকর্তা তরিকুলের নেতৃত্বে এই সব পাহাড় কাঁটার কাজ চলে। সে নিয়মিত পাহাড় খেকুদের সাথে আতাত করে। অভিযানের নামে টাকা নিয়ে আসে। কেউ বিট অফিসারের বিরুদ্ধে কথা বললেই মামলার হুমকি দিয়ে থাকে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্হানীয় বাসিন্দা বলেন,এভাবে চললে খুরুশকুল চনখোলা, পিএম খালী পাহাড় বলতে কিছুই থাকবে না। তিনি আরো বলেন আপনারা সাংবাদিক আপনারা চাইলে এর একটা সঠিক সমাধান করতে পারেন।

স্হানীয় আরেক ভাই বলেন, আমাদের খুরুশকুলে এই পাহাড় খেকু দিন দিন বেড়েই চলছে। খুরুশকুল অফিসের পূর্বে ৫শ ফুট গেলেই মিলবে, মামুনের পয়েন্ট, যা কুমারিয়ার ছড়া নামে পরিচিত হাতের ডান পাশে একটু গেলেই দেখা মিলবে যাবে, কাউছারের বিশাল পয়েন্ট। পুরো একটি সিন্ডিকেট নিয়মিত পাহাড় কেটে ডাম্পার যোগে মাটি বিক্রি করে থাকেন। এদের রয়েছে ৫ টি মাটি ও বালি উত্তলের পয়েন্ট, যা এখনো পাহাড় কাটা চলমান। পাহাড় খেকুরা হলেন, পারভেজ ( প্রকাশ দলু নামে পরিচিত) এবং মো : হারুন ( প্রকাশ বাবুল নামে পরিচিত) ও সিরাজের ছেলে আহসান উল্লাহ।

এর পর এক কিলোমিটার গেলে তেতৈয়া, ইউচুফ ফকির পাড়া, গেলে দেখা মিলবে বর্তমান মেম্বার বাবুল এর পয়েন্ট পুরো পাহাড় শেষ করে দিয়েছে তিনি। তার কিছু দূর গেলে দেখা মিললো তেতৈয়ার শেষ মাথা বেলাল সিকদার নামে পরিচিত, তার বিশাল পয়েন্ট যা বলার মতো নয়।

এর পরে খুরুশকুল বিট অফিসের দক্ষিণ দিকে, গুনাপাড়া ও কদমতলি নামক স্থানে, আস্রয়ন প্রকল্পের আগে দিন রাত পাহাড় কেটে সাবাড় করে দিতেছে। এবং বোওনা কাটা নামে এলাকায় কম হলেও দশটির বেশি পয়েন্ট আছে। এবং দিন রাত পাহাড় কেটে সাবাড় করে দিতেছে।

জানা যায়, এলাকায় ৫০ টির মত মাটি কাটার পয়েন্ট আছে। এর মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আছে, আবছার, গিয়াস, রুনো,শাহিনসহ অনেকেই রয়েছে। তবে বিট অফিসার ও রেঞ্জ কর্মকর্তা কে বার বার অভিযোগ করার পরও সমাধান মিলেনি দাবি স্হানীয়দের।

এবিষয়ে বিট কর্মকর্তা তরিকুলের সাথে মোটো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি এবিষয়ে কিছু জানিনা। এইটা সম্পুর্ন মিথ্যা আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকি। তিনি আরো বলেন, এইটা আগের বিট অফিসারের আমলে ঘটনা। তবে বিট কর্মকর্তা তরিকুল বিষয়টি স্বীকার করে বলেন,আমি বিটের এখনও দ্বায়িত্ব নেয়নি।

সর্বশেষ - Uncategorized

আপনার জন্য নির্বাচিত

আগামী শনিবার শামীম ওসমানের সমাবেশ সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি

আজ শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে শেষ বাজি

বান্দরবানে সেনা জোন কর্তৃক টুর্নামেন্টে ব্রাদারহুড ভলিবল দলকে হারিয়ে রোয়াংছড়ি ভলিবল দল চ্যাম্পিয়ন

বালিয়াডাঙ্গীর ৫ নং দুওসুও ইউনিয়নে বিট পুলিশিং মিটিং ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শিক্ষামন্ত্রীর সাথে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সাবেক সেনা সদস্যের লাশ উদ্ধার!

বন্দর নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ স্কুল শাখার নির্বাচনে বাবুও সবুজের নিরঙ্কুশ জয়

ইসলামী শিক্ষাব্যাবস্থাই পারে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে- এইচ এম শাহীন আদনান

ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত

উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত